আসসালামুয়ালাইকুম আপনাদের সকল কে ডেসটিনি পরিবারের পক্ষ থেকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা।এই কোম্পানিটি একটি সেলস এন্ড মার্কেটিং কোম্পানি।যেমন বাজারে রয়েছে সিঙ্গার,র্যাংস,বাটারফ্লাই,সামসং,তসিবা।কিন্তু ওদের বিপনন পদ্ধতি এবং আমাদের কোম্পানির বিপনন পদ্ধতি সম্পুর্ন ভিন্ন।এই ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে কিভাবে আমরা একটি পার্ট-টাইম আয় সু-নিশ্চিত করতে পারি।সেই বিষয়ে আজকে আমরা আলোচনা করবো।আজ আপনি এই ওয়ে্ব সাইটে যার লেখাটি পড়ছেন,ওনি এ কোম্পানির একজন স্বাধীন ক্রেতা পরিবেশক বা ডিস্ট্রি্বিউটর।ওনি ওনার বর্তমান পেশাকে ঠিক রেখে এই কোম্পানির কাছ থেকে একটি পার্ট-টাইম আয় করছেন,ওনি মনে করছেন আপনার পক্ষেও সম্ভব এই ধরনের একটি বাড়তি আয় সু-নিশ্চিত করা।
আজকে আমাদের আলোচনার মুল বিষয়বস্তু হচ্ছে আয়,যা আমাদের জীবন ধারনের জন্য একটি অপরিহার্য অংশ।আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটের দিকে তাকালে দেখা যায় যে,আয়ের চাইতে ব্যয়ের খাতটি বেশী প্রতিয়মান হয়।কেননা আমরা কেউ আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যয় উপেক্ষা করতে পারি না।যেমন-অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান,শিক্ষা,চিকিৎসা এই পাচটি মৌলিক চাহিদা ছারাও,আমাদের জীবন যাত্রার মানকে নুন্যতম স্তর থেকে একটু উন্নত করতে আরো কিছু প্রয়োজনীয় ব্যয় সংযুক্ত হয়।অর্থাৎ উচ্চ শিক্ষা,উন্নত চিকিৎসা,প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র,ট্রান্সপোর্টেশন ইত্যাদির খাতে আরও ব্যয় বৃদ্ধি পায়।এই অবস্থায় আয় ও ব্যয় কে বৃত্তের মাধ্যমে দেখালে আরও সহজে বুঝা যায় কোনটি আয় এবং কোনটি ব্যয়।আমাদের প্রচলিত ধারনা অনুযায়ি আয়ের সাথে সঙ্গতি রেখে ব্যয় করার পরামর্শ গুরু জনেরা আমাদের দিয়ে থাকেন।যাকে বলা হয় আয় বুঝে ব্যয় কর।কিন্তু উন্নত বিশ্বের মানুষেরা ব্যয়ের বৃত্ত কমানোর চেয়ে আয়ের বৃত্তকে বাড়ানো যুক্তি সঙ্গত মনে করেন।দেখা যায় উন্নত বিশ্বের মানুষরা একটি কাজের পাশাপাশি আরেকটি চাকরি বা ব্যবসা করে থাকেন।যাকে পার্ট-টাইম কাজ বলা হয়।তারা বিশ্বাস করেন আয় বুঝে ব্যয় করার চেয়ে,ব্যয় বুঝে আয় করা উচিত।সাধারনত আমাদের দেশের মানুষেরা অতিরিক্ত কাজের কথা ভাবতেই ভয় পায়।কারন আমাদের দেশে স্বাভাবিক কাজেরই নিশ্চয়তার অভাব রয়েছে।চলুন দেখা যাক শহর ভিত্তিক আয়ের দিকে তাকালে কি কি ধরনের আয় আমাদের চোখে পরে,
প্রথমত চাকরী,দ্বিতীয়ত পেশা,তৃতীয়ত ছোট ব্যবসা,চতুর্থত রয়েলিটি।চলুন দেখা যাক চাকুরীর জন্য কি কি ধরনের যোগ্যতার প্রয়োজন।প্রথমত একজন ব্যক্তিকে ১ম শ্রেনী থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী পর্যন্ত /১-১৭/১৮বছর কোন প্রকার বিরতি ছারা পড়ালেখা করতে হয়,এই সময় ওই ব্যক্তিটির পিছনে অভিবাবকের খরচ হয় কমপক্ষে ৫ লক্ষাধিক টাকা।এখানেই শেষ নয় বরং তাকে নামতে হয় চাকরী লাভের প্রতিযোগিতায়।সেখানে যদি সে সফল হয় অর্থাৎ চাকরী পায়।তাকে দৈনিক ৮ ঘন্টা করে সপ্তাহে ৬ দিন প্রতি সপ্তাহে ৪৮ ঘন্টা,এভাবে মাসে ৪ বার নিয়মিত ভাবে কাজ করে যেতে হয়,কোন কারনে ঐব্যক্তি যদি কাজে অনুপস্থিত থাকে,তখন তার আয়টি অনিশ্চিত হয়ে পরে।চলুন দেখা যাক পেশা জীবিরা কিভাবে আয় করে থাকে,পেশাজীবি কারা-ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার ল’ইয়ার, কম্পিউটার প্রোগ্রামার ইত্যাদি ওনারা চাকুরিজীবিদের চেয়ে একটু বেশী পরিশ্রম করে থাকেন।উনারা গড়ে ১০ ঘন্টা করে প্রতি সপ্তাহে ৬ দিন সপ্তাহে ৬০ ঘন্টা এভাবে মাসে ৪বার কাজ করে জান।তারপরে আসেন ছোট ব্যবসায়ী,এরা পুজি এবং অভিজ্ঞতাসহ প্রতিদিন গড়ে ১২-১৪ ঘন্টা করে প্রতি সপ্তাহে ৭২ ঘন্টা সপ্তাহে ৬ দিন এভাবে মাসে ৪বার নিয়মিত কাজ করে জান।এভাবে কাজ করার পর প্রতিটি ব্যবসায়ির লাভ বা লোকসান নিশ্চিত হয়।উল্লেখিত চাকুরি ,পেশা,এবং ছোট ব্যবসা প্রতিটি আয়কে লক্ষ্য করলে দেখা যায়।কাজ করলে ইনকাম আছে,কাজ না করলে ইনকাম নেই।এ ধরনের আয় কে শর্তযুক্ত আয় বা একক আয় মার্কেটিং এর ভাষায় লিনিয়ার টাইপ অফ ইনকাম বলা হয়।
আজকে আমরা যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব সেটা হচ্ছে রয়েলিটি আয় বা স্থায়ী আয়।মার্কেটিং এর ভাষায় যাকে বলা হয় রেসিডিউল ইনকাম।এই রেসিডিউল ইনকাম করছেন কারা কবি,সাহিত্যিক,সঙ্গিতঙ্গ,ফিল্ম প্রোডিউসার,বাড়ীর মালিক,উনারা করছেন।দেখা যাচ্ছে একজন লেখক কষ্ট করে একটি বই লিখছেন,লিখার পর প্রকাশক যখন বইটি একবার প্রকাশ করেন,তারপর লেখকের আর কোন কাজ থাকেনা।প্রতিবার সংস্করনের সাথে সাথে লেখকের আয় বাড়তে থাকে।এক্ষেত্রে লেখক লিখেছেন একবার কিন্তু আয় করছেন বারবার।যাকে বলা হয় রয়্যালিটি আয়।এমন একটি চমৎকার আয় হচ্ছে এম,এল,এম।যেখানে সপ্তাহে ১০-১৫ ঘন্টা অনুশীলন করে আপনার পক্ষেও সম্ভব চমৎকার একটি স্থায়ী আয় করা।
এই এম,এল,এম সিস্টেমের উদ্ভাবক হচ্ছেন আমেরিকার একজন কেমিস্ট ডাঃ কার্ল রেইন বুর্গ।১৯৩৪ সালে এ পদ্ধতি সুচনা হলেও ১৯৪০ সালের দিকে যাত্রা শুরু করে।এই তথ্য গুলো পাওয়া যায় ঝিগ-ঝাগ্লার এবং জন-পি হাইজের লেখা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং প্রোগ্রামিস যে বইটি বিশ্বের ৩৩ টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে।যাত্রা শুরুর পরবর্তিতে ১৯৫৮ সালে আমেরিকার পার্লামেন্ট থেকে ১০ ভোট ব্যাবধানে পাশ হয়।পরবর্তিতে মালেশিয়াতে দীর্ঘ ২১ বছর অনুশীলন করার পর ১৯৯৩ সালে এ্যাড ফাইভ হান্ড্রেড নামে একটি বিল আকারে সাংবেধানিক স্বীকৃতি পায়।এই বাণিজ্যিক পদ্ধতিটি ১২৫ টিরও বেশী দেশে ১২ হাজারও বেশী কোম্পানি বর্তমানে কাজ করছে।এরকম একটি সর্বাধুনিক বিপনন পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড।
এ কোম্পানি আপনাকে অফার করছে আপনার নির্দিস্ট পেশাকে ঠিক রেখে বা পাশাপাশি,প্রতি সপ্তাহে ১০-১৫ ঘন্টা কাজ করে,পরবর্তিতে ৬-২৪ মাস নিয়মিত অনুশীলন করে,এককালীন পন্যের বিনিময়ে ১০০০ বা ৫০০ পয়েন্ট সংগ্রহের মাধ্যমে এমন একটি গৃহভিত্তিক ব্যবসা তৈরি করা,যেখান থেকে আপনি আয় করতে পারেন প্রতি সপ্তাহে ৬০০ টাকা থেকে ১২,৬০০ টাকা পর্যন্ত।মাসে ৫০,৪০০ টাকা।
তাহলে দেখা যাক এ কোম্পানি আমাদের কীভাবে আয় দিচ্ছে,আমরা কিভাবে এ ধরনের আয় সুনিশ্চিত করতে পারি।
যেহেতু এটা একটি সেলস এন্ড মার্কেটিং কোম্পানি,পন্য এবং সেবা দু’টো বিপনন করাই এই কোম্পানির মুল উদ্দেশ্য।আমরা প্রতি দিন ২০০-৩০০ পন্য গড়ে ব্যবহার করি,এই পন্য গুলো উৎপন্ন হয় কোন না কোন কারখানায় দেখা যায় একটি সিলিং ফ্যান উৎপন্নকারি প্রতিষ্টান থেকে কিভাবে ভোক্তার নিকট পৌছায় একটি সিলিং ফ্যান কারখানায় উৎপন্ন হওয়ার পর এজেন্ট-পাইকারি বিক্রেতা-খুচরা বিক্রেতা-সর্বপরি ভোক্তার নিকট পৌছায় লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে সিলিং ফ্যানটি ৫০০-৬০০ টাকায় উৎপন্ন হয়েছে,সেটাই এজেন্ট-পাইকারি বিক্রেতা-খুচরা ব্যবসায়ীর হাত ঘুরে ভোক্তার নিকট বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১২০০ টাকায়।অর্থাৎ বিভিন্ন মধ্যসত্ত ভোগিদের হাত বদলের কারনে পন্যের মান না বাড়লেও দাম বাড়ছে।দাম বাড়ার কিছু যুক্তিসংঙ্গত কারনও রয়েছে।প্রতিটি মধ্যসত্তভোগকারী ব্যবসায়িক পুজি শ্রম ব্যবসায়িক জ্ঞান বিনিয়োগ করে এবং নির্দিষ্ট পরিমান শ্রম অনুশীলন করে তারপর প্রচলিত ধারায় লাভ বা লোকসান নির্ধারিত হয়।আধুনিক পদ্ধতিতে মধ্যসত্ত ভোগকারীর পরিবর্তে মিডেল ম্যান বা উৎপন্নকারী হিসাবে কাজ করছে এম,এল,এম কোম্পানী।যেমন ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড।এক্ষেত্রে উৎপাদনকারির কাছ থেকে সরাসরি ভোক্তার নিকট পন্য এবং ব্যবসা একত্রে পৌছে দেওয়ায় এ কোম্পানির মুল উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য। উৎপাদনকারি হতে ভোক্তা পর্যন্ত পৌছাতে প্রচলিত ধারা অনুযায়ি প্রত্যেক মধ্যসত্ত ভোগকারীরা যে মুনাফা করত আধুনিক পদ্ধতিতে সে সকল মুনাফা প্রাথমিকভাবে চলে আসে এম,এল,এম কোম্পানিতে,সেই মুনাফা বন্টিত হয় কোম্পানির দু’টি সেক্টরে।প্রথমটি মার্কেটিং সেক্টর,দ্বীতিয়টি ম্যানেজম্যান্ট সেক্টর।মার্কেটিং সেক্টরে কাজ করছে ক্রেতাপরিবেশকগন।তারা মুল লভ্যাংশের ৮৮%ভোগ করে নিজেদের পারফরমেন্স অনুযায়ি,কেঊ ৬০০ টাকা কেঊ ১২,৬০০ টাকা প্রতি সপ্তাহে আয় করে থাকেন একটি মাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র থেকে।বাকি ১২% শতাংশ কোম্পানি ম্যানাজমেন্টের যাবতীয় ব্যয় বহন করার পর প্রোফিট করে থাকে।
এই কোম্পানিতে বানিজ্যিক কেন্দ্র তৈরি করতে কি কি ধরনের যোগ্যতার প্রয়োজনঃপ্রথমত এই কোম্পানির সাথে চুক্তি হতে আপনাকে সাবালক অথবা সাবালিকা হতে হবে।অর্থাৎ আপনার বয়স ১৮+,দ্বিতীয়ত আপনার লাগবে বর্তমানে এই কোম্পানিতে আছেন বা কাজ করছেন এমন কারো রেফারেন্স অর্থাৎস্পন্সর।তৃতীয়ত আপনার নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এস,এস,সি বা সমমান,চতুর্থত ভোটার আইডি কার্ড, পঞ্চমত ৫০০ পয়েণ্ট।
এই কোম্পানির কাছ থেকে পন্য ক্রয়ের মাধ্যমে ৫০০ পয়েণ্ট অর্জন করার পর কম্পিউটার সফটয়্যারে আপনি পাচ্ছেন বানিজ্যিক কেন্দ্র যার কিছু পরিচিতি নাম্বার রয়েছে।১৪ ডিজিটের একটি ডিন নাম্বার,সি আই ডি নাম্বার,আপনার অবর্তমানে এই ব্যবসা যে দেখাশুনা করবে এজন্য নমিনি এবং এই বানিজ্যিক কেন্দ্র থেকে আয় করার জন্য রয়েছে দু’টি ওইন লেফট এবং রাইট।এই বানিজ্যিক কেন্দ্রটি হিসাব রাখার জন্য রয়েছে লেফট সেলস ভলিউম এবং রাইট সেলস ভলিউম।এই বানিজ্যিক কেন্দ্রটি আপনার মত দু’টি বানিজ্যিক কেন্দ্র ধরে রাখতে পারে।
এই বানিজ্যিক কেন্দ্রটির সাথে থাকবে একটি পেমেন্ট চার্ট যেখনে আপনার পারফর্মেন্স ম্যাচ করে কমিশন দেওয়া হবে।আপনার বানিজ্যিক কেন্দ্র লেফট সাইটে ৫০০ পয়েন্ট রাইট সাইটে ৫০০ পয়েন্ট সংগৃহিত হলে তখন আপনাকে কমিশন দিবে ৬০০ টাকা,আপনার লেফট সাইটে ১০০০ পয়েন্ট রাইট সাইটে ১০০০ পয়েন্ট সংগৃহিত হলে তখন আপনাকে কমিশন দিবে ১২০০ টাকা,আপনার লেফট সাইটে ৩০০০ পয়েন্ট রাইট সাইটে ৩০০০ পয়েন্ট সংগৃহিত হলে তখন আপনাকে কমিশন দিবে ৩,৬০০ টাকা, আপনার লেফট সাইটে ৬০০০ পয়েন্ট রাইট সাইটে ৬০০০ পয়েন্ট সংগৃহিত হলে তখন আপনাকে কমিশন দিবে ৭,২০০ টাকা।এই চারটি লেভেলকে একত্রিতে বলা হয় একটি সাইকেল,যেখানে লেফটে সর্বমোট ১০,৫০০ পয়েন্ট এবং রাইটে সর্বমোট ১০,৫০০ পয়েন্ট অর্জনের মাধ্যমে সর্বমোট ১২,৬০০ টাকা কমিশন পাওয়া যাবে।আকর্ষনীয় ব্যাপার হচ্ছে এই পেমেন্ট চার্টটি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
এই আয় করার জন্য কাজ হচ্ছে দু’টি,এক নাম্বার হচ্ছে এ্যাডব্রাইজমেন্ট দুই নাম্বার হচ্ছে সেলস।এ্যাডব্রাইজমেন্ট করার জন্য এই কোম্পানি টিভি,পত্রিকা লিফলেট ইত্যাদি প্রচার মাধ্যমকে নিরুৎসাহীত করে,উৎসাহীত করে আন্তঃব্যক্তি সংযোগ ঘটিয়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে এ্যাডব্রাইজমেন্ট করতে।দ্বিতীয়টি হচ্ছে সেলস, তিন ভাবে পন্য বিক্রয় করে আমরা পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারিঃ-১।নিজেদের ভোগ্য পন্য ক্রয়ের মাধ্যমে
২।অন্যের নিকট পন্য বিক্রয়ের মাধ্যমে
৩।সর্বপরি দল গঠনের মাধ্যমে
দল গঠনের মাধ্যমে আপনি স্থায়ী আয় করতে পারেন যেমন আপনি আমাদের কোম্পানিতে ক্রেতাপরিবেশক হিসাবে যাত্রা শুরু করার পর আপনি আপনার পরিচিত মহলের এক অংশকে আমন্ত্রন জানালেন এই বানিজ্যিক সেমিনারটি দেখানোর জন্য।ধরি ৫০ জনকে আমন্ত্রন জানালো হল এই বানিজ্যিক সেমিনারটি দেখানোর জন্য,তার মধ্যে ৩০ জন সেমিনারটি দেখলো ১০ জন এই ব্যবসা পদ্ধতিতে কাজ করার ইচ্ছা পোষন করলো,মাত্র দু’জন এই কোম্পানির ক্রেতাপরিবেশক হওয়ার ৫টি যোগ্যতাই অর্জন করল।ধরি এদু’জনের মধ্যে একজন মি.A আপনার আত্বীয়,আরেকজন মি.B আপনার ঘনিষ্ট বন্ধু এবং আপনি তাদের কে লেফটে ও রাইটে স্পন্সর করলেন এক্ষেত্রে আপনার ১ম লেভেল হয়ে গেল আপনি পেলেন ৬০০ টাকা।পরবর্তিতে মি.A স্পন্সর করলেন ওনার লেফটে মি.X কে এবং রাইটে মি.Y কে।অপর দিকে দেখা যায় মি.B স্পন্সর করলেন ওনার লেফটে মি. C কে এবং রাইটে মি. D কে।মি.A কে দেওয়া হবে ৬০০ টাকা এবং
মি.B কে দেওয়া হবে ৬০০ টাকা। আর আপনার লেফটে১০০০ পয়েন্ট এবং রাইটে ১০০০ পয়েন্ট হইছে, আপনি পাবেন ১২০০ টাকা।পরবর্তিতে আপনি আপনার সেলস টিম মিলে লেফটে ৩০০০ পয়েন্ট এবং রাইটে ৩০০০ পয়েন্ট সংগ্রহ করার পর,আপনাকে প্রদান করা হবে ৩,৬০০ টাকা।পরবর্তিতে আপনি আপনার সেলস টিম মিলে লেফটে ৬০০০ পয়েন্ট এবং রাইটে ৬০০০ পয়েন্ট সংগ্রহ করার পর,আপনাকে প্রদান করা হবে ৭,২০০ টাকা।এই চারটি লেভেলকে একত্রিত বলা হয় একটি আয়ের চক্র বা সাইকেল।যেখানে লেফটে ১০,৫০০ পয়েন্ট ও রাইটে ১০,৫০০ পয়েন্ট অবস্থান করছে।প্রথম সাইকেল শেষ হবার পর দ্বিতীয় সাইকেলে আপনার প্রয়োজন সমান সংখ্যক পয়েন্ট।লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে প্রথম সাইকেলের শুরুতে আপনি ছিলেন একা,আর দ্বিতীয় সাইকেলের শুরুতে আপনি ও সাথে থাকছে আপনার পন্য বিপননকারী দল,ফলে আপনার শ্রম ও সময় দু’টই সাশ্রয় হয়।আপনি ও আপনার পন্য বিপননকারী দলের মাধ্যমে যখন লেফটে ১০,৫০০ পয়েন্ট ও রাইটে ১০,৫০০ পয়েন্ট সংগৃহিত হবে,তখন আপনার সম্পুর্ন হবে সাইকেল ২।এভাবে প্রতি সাইকেলে শ্রম ও সময় সাশ্রয় হয়,তবে আয় একই।একটি বানিজ্যিক কেন্দ্র থেকে আয় করতে পারেন সপ্তাহে ১২,৬০০ টাকা মাসে ৫০,৪০০ টাকা কমিশন।
এই কমিশনের পাশাপাশি আপনার পারফর্মেন্সের স্বীকৃতি স্বরুপ কিছু ইন্সেনটিভ রয়েছে।আপনি যখন আপনার বানিজ্যিক কেন্দ্র থেকে ৮ টি সাইকেল সমপরিমান কমিশন অর্জন করবেন,তখন আপনাকে কোম্পানি থেকে সিলভার
এক্সিকিউটিব পদবি দেওয়া হবে।পুরস্কার হিসাবে আপনাকে ১০ হাজার টাকা দিবে ।যখন আপনি ১৬ টি সাইকেল সমপরিমান কমিশন অর্জন করবেন,তখন আপনার পদবি হবে গোল্ড এক্সিকিউটিব।পুরস্কার হিসাবে আপনাকে ২০ হাজার টাকা দিবে।যখন আপনি ৩০ টি সাইকেল সমপরিমান কমিশন অর্জন করবেন,তখন আপনার পদবি হবে প্লাটিন্যাম এক্সিকিউটিব।পুরস্কার হিসাবে আপনি ১০ হাজার টাকা করে ১২ মাস বাড়ি ভাড়া পাবেন।যখন আপনি ৪০ টি সাইকেল সমপরিমান কমিশন অর্জন করবেন,তখন আপনার পদবি হবে প্রোফিট শেয়ারিং ডিস্ট্রি্বিউটর সংক্ষেপে (পি,এইচ,ডি)।আপনি প্রতি ১৩ সপ্তাহে নুন্যত্বম ৮টি সাইকেল হলে,আপনার সেলস টিমের মোট লাভের ৫% ইন্সেনটিভ আপনাকে প্রদান করা হবে।পরবর্তিতে আকর্ষনিয় কিছু পদবি রয়েছে,রয়েছে কিছু ইন্সেনটিভ।যেমনঃ-ডায়মন্ড এক্সিকিউটিব,ক্রাউন এক্সিকিউটিব,ক্রাউন এমব্যাসেডর।যা আমাদের প্রত্যেকের জন্য অপেক্ষা করছে।
আপনি ইচ্ছা করলে এই আয়ের চাইতে ততোধিক আয় করা আপনার পক্ষে সম্ভব।এক্ষেত্রে আপনি টারবু তিনটি সেন্টার, সুপার টারবু সাতটি সেন্টার নিয়ে আপনি কাজ করতে পারেন।টারবুতে আপনি দ্বিগুন কাজ করে তিন গুন আয়,সুপার টারবু চারগুন কাজ করে সাত গুন আয়, আপনার পক্ষে করা সম্ভব।
আরোও যদি জানার ইচ্ছা হয় তাহলে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ গ্রহন করুন।আর আমার সাথে আমার টিমে ব্যবসা করতে চাইলে আমার সাত্থে যোগাযোগ করতে পারেন।
এটার সম্পুর্ন স্লাইড সো সহ দেখতে এখানে কিল্ক করুন।
Filed under: Uncategorized